

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
ডিজিটাল বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির মহাসড়কে এবং স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্যকে সামনে রেখে দৌলতপুর মুহসীন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়-এর একটি নিজস্ব ওয়েবসাইট ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।
নারী শিক্ষা ও নারী জাগরণের এক অনন্য আলোকবর্তিকা হিসেবে এই প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘকাল ধরে সুনামের সাথে আলো ছড়িয়ে আসছে। আমাদের মূল লক্ষ্য কেবল পাঠ্যপুস্তকনির্ভর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা প্রদান নয়, বরং নৈতিকতা, দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ এবং আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে আমাদের ছাত্রীদের একজন সুনাগরিক ও আদর্শ নারী হিসেবে গড়ে তোলা।
বর্তমান যুগ প্রতিযোগিতা ও মেধার যুগ। তাই ঐতিহ্যকে ধারণ করে আমরা ছাত্রীদের সৃজনশীলতা, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং সহ-শিক্ষা কার্যক্রমের ওপর সমান গুরুত্ব দিয়ে থাকি। একটি বৈষম্যহীন, নিরাপদ ও আনন্দময় পরিবেশে ছাত্রীরা যাতে তাদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে পারে, সেই লক্ষে আমাদের একঝাঁক অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক-শিক্ষিকা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি এই বিদ্যালয়ের সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতা, পরিচালনা পর্ষদ এবং সুধীজনকে—যাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমে ও দিকনির্দেশনায় বিদ্যালয়টি আজকের এই অবস্থানে পৌঁছেছে। একই সাথে সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দের প্রতি রইল আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, যাঁদের আস্থা ও সহযোগিতা আমাদের পথচলার মূল প্রেরণা।
আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং পরিচালনা পর্ষদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দৌলতপুর মুহসীন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ভবিষ্যতে আরও গৌরবময় অধ্যায় রচনা করবে এবং আমাদের ছাত্রীরা দেশ ও দশের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করবে।
আমি বিদ্যালয়ের সকল ছাত্রীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
ধন্যবাদান্তে,
প্রধান শিক্ষক
দৌলতপুর মুহসীন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়
দৌলতপুর, খুলনা।
— অধ্যক্ষের বানী
প্রধান শিক্ষক